67189832_2664167250263075_8383422325206286336_n
67420270_2664172530262547_2136844520086568960_n
67449139_2664179440261856_8793951044708073472_n
67449456_2664178350261965_3048651156310982656_n
67465352_2664178616928605_4620527234376007680_n
67474586_2664179370261863_5185076710927761408_n
67477659_2664178473595286_9062747557133811712_n
67495197_2664172810262519_1136704683054727168_n
67510519_2664172043595929_8540418506749902848_n
67530532_2664178680261932_4779157702515359744_n
67532505_2664173640262436_6894249059356246016_n
67549932_2664172980262502_5890068070415728640_n
67564247_2664179596928507_4500127116246908928_n
67568380_2664172700262530_3851362698344267776_n
67599836_2664173326929134_7857492893932453888_n
67604711_2664179090261891_4594380431255666688_n
67606995_2664167113596422_7544214577748115456_n
67613075_2664172906929176_2418283642410237952_n
67620431_2664178886928578_510268451504259072_n
67644802_2664179000261900_1175239039440125952_n
67652827_2664173793595754_3408568037031280640_n
67682930_2664167390263061_8271628647228506112_n
67695876_2664172126929254_1092952151858085888_n
67702259_2664178793595254_2322960463932948480_n
67706214_2664179696928497_4981270492573859840_n
67707843_2664167053596428_5648455398143819776_n
67766964_2664173713595762_1853487840894124032_n
67780069_2664167453596388_7429673679774023680_n
67792669_2664178430261957_8350252236944703488_n
67802300_2664179250261875_7427699145869099008_n
67812015_2664178546928612_1978904180177240064_n
67890870_2664172220262578_6172704659686293504_n
67932121_2664173436929123_3328028999275249664_n
67968719_2664172410262559_2581461304095014912_n
67969648_2664172576929209_744829895577698304_n
68305423_2664172303595903_5350041641648390144_n
68509402_2664179540261846_9041974191892463616_n
68537737_2664173520262448_7658909080932581376_n
68613346_2664173206929146_4424809517477265408_n
68649226_2664167193596414_2444188157835476992_n
Exit full screenEnter Full screen
previous arrow
next arrow
Shadow

৬ষ্ঠ আত্মীয় আড্ডা: রক্তদানের অঙ্গিকার ৫ শতাধিক শিক্ষার্থীর
৩ আগষ্ট বেলা ১১ টা-তখনো অনুষ্ঠান শুরু হয়নি, পুরো মাঠ আত্মীয়ময়। আত্মীয়ের প্রিয় মানুষ এবং অনুষ্ঠানের প্রধান ব্যবস্থাপক মনির হোসেন ঘোষণা দিলে মুহুর্তেই মিলনায়তনের সব আসন শেষ। শেষতক আত্মীয়ের সকল সদস্য দুপাশে দাঁড়িয়ে জায়গা ছাড়তে হলো নতুনদের জন্য। এযেন এক মহেন্দ্রক্ষণ। পৌর কলেজের অধ্যক্ষ হরিলাল দেবনাথের সভাপতিত্বে মঞ্চ আলোকিত করলেন সিভিল সার্জন ডা. মো.শাহ আলম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজের চেয়ারম্যান ও জেলা স্বাচিপের সভাপতি ডা. মো. আবু সাঈদ, পৌর ডিগ্রী কলেজের উপাধ্যক্ষ আসমা বানু, প্রেস ক্লাবের সভাপতি খ আ ম রশিদুল ইসলাম, কলেজ শিক্ষক পরিষদের সাধারন সম্পাদক ফরিদ আহমেদ। বক্তব্য রাখেন, আত্মীয়ের প্রতিষ্ঠাতা সমীর চক্রবর্তী, আখাউড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও আত্মীয় শাহবুদ্দিন বেগ শাপলু,আত্মীয় সমন্বয়ক শেখ দীপু এবং মারিয়া তাবাস্মুম। দরাজ কণ্ঠে সঞ্চলনায় তখন অাত্মীয়ের মনির হোসেন। সঞ্চালনা যে একটা শিল্প মঞ্চে তিনি বারংবার সেটা প্রমাণ করেন।এ আয়োজনের নেপথ্যেও ছিলেন আত্মীয়ের এ পরম আত্মীয়। আড্ডায় বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ছিল ৫ শতাধিক শিক্ষার্থীর হাত উঁচিয়ে রক্তদানের অঙ্গীকার করা।
জাতির পিতাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে কবিতা ও সংগীত পরিবেশন করেন অাত্মীয়ের সহযোদ্ধা পৌর কলেজ সাংস্কৃতিক টিম। তাদের পরিবেশনা মুগ্ধ করে সকলকে।
বঙ্গবন্ধুকে উৎসর্গ করে গান করেন বাংলাদেশ টেলিভিশনের শিল্পী নবনীতা রায় বর্মণ। টিম নিয়ে অংশগ্রহণ করে অনুষ্ঠানের সৌন্দর্য বাড়িয়েছেন মানবতার হাসি এবং প্রথম আলো বন্ধুসভা।
আত্মীয়ের এক লাখ ডোনার তৈরির কর্মযজ্ঞকে স্বাগত জানিয়ে বক্তরা বলেন, আত্মীয়ের ভালোবাসা ছড়িয়ে পড়ুক সবখানে। প্রতিদিনই বসন্ত নামুক আত্মীয়ের পরিবারে। নামের মতোই স্বার্থক হোক তাদের কর্ম।
এর আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন থেকে মেধাবী সাংবাদিক ও আত্মীয় বিশ্বজিৎ পাল বাবুর নেতৃত্বে একটি বিশাল শুভাযাত্রা প্রেসক্লাবে এসে শেষ হয়। যানজট এড়াতে আত্মীয় সমন্বয়ক এমআরআই রাকিব এবং ইসমাইল হোসেনের পরামর্শে সড়কের একপাশ ধরে চলে সেই পদযাত্রা। প্রেসক্লাবে সিনিয়র সাংবাদিকরা আত্মীয়কে স্বাগত জানান। সভ্যদের উদ্দেশ্য বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাব সভাপতি।
পর্দার আড়ালের কথা:
মারিয়া তাবাস্মুম দলবল নিয়ে ছুটে এলো কুমিল্লা থেকে। কসবা থেকে উঠলেন আরো কয়েকজন। এদিকে আখাউড়া জংশনও তখন আত্মীয়ময়। উপকুল এক্সপ্রেসে গন্তব্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া। আত্মীয় বিশ্বজিৎ পাল বাবু’র কেনা পেয়ারায় সেকি মনযোগ সবার। ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টেশনে নেমে অপেক্ষা ধরখারের স্বজনদের জন্য। ওদিকে বাইরোডে যুক্ত হলো আত্মীয়ের অারেকটি দল। এক সঙ্গে হয়ে শহরের টিএ রোড হয়ে ছুটে চলা প্রেস ক্লাবের উদ্দেশ্যে। প্রেস ক্লাব সভাপতি, সম্পাদকসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দের সঙ্গে পরিচয় পর্বের পর রক্তদানের আহবান জানিয়ে লিফলেট বিতরণ। অত:পর নির্ধারিত গন্তব্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর কলেজ। বেলা ১১টার পরই শিক্ষার্থীদের পদচারণায় হলরুম পূণ। আত্মীয় ও মানবতার হাসি সদস্যরা বাইরে বের হয়ে শিক্ষার্থীদেরকে জায়গা করে দিলো। ঠিক ১২টায় অনুষ্ঠানের শুরু। বঙ্গবন্ধুকে নিবেদন করে কবিতায় জমে উঠে আড্ডা। একে একে কথা বলেন অতিথরা। পৌর কলেজ কর্তপক্ষ এবং তাদের সাংস্কৃতিক টিমের সক্রিয়তা ছিল চোখে পড়ার মতো। তাদের কাছে অাত্মীয় পরিবারের কৃতজ্ঞতার শেষ নেই।
আড্ডা শেষে কলেজ প্রাঙ্গনেই চলে ক্যামেরার ক্লিক। এরপর খাওয়া-দাওয়ার আলোচনা।পথে যেতে যেতেই ছাত্রলীগ সভাপতি শাপলু বললেন ওনার বাজেট ৫০০০ টাকা। ভরসা দিলেন বিশ্বজিৎ পাল বাবু ও অাত্মীয় পরিবার। রাধুনী হোটেলে খেতে খেতেও চলে আরেক আড্ডা, ভবিষ্যত পরিকল্পনা নিয়ে নানা আলোচনা। ফিরতে হয় চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনে। সব মিলিয়ে প্রায় সাত ঘন্টার ‘পেরেশানি’। কিন্তু কারো মুখেই যেন কোনো ক্লান্তি নেই। সবার একই কথা ষষ্ঠ আড্ডায় ছিলো প্রাণের ছোঁয়া। যে কারণে সব কষ্ট আর ক্লান্তি যেন নিমিষেই উবে গেছে। তবে জুযায়েদ অার কিবরীয়াদের ব্যাস্থতা ছিল রাত নযটা পর্যন্ত। প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত তারা ছিল ব্যাপক সক্রিয়। একের পর এক ক্লিকে ৬ষ্ট অাত্মীয় অাড্ডাকে ফ্রেমে বন্ধি করেন অাত্মীয় জুবায়েত। রেজিস্টেশনে ব্যস্ত সময় পার করেছে সাদিয়া অাক্তার কৃপা, মুন্নী, রাকিবা হাবিব, মমতা ঘোষ মনি, রিচি ঘোষরা।