61433778_300235090919907_7770174198760079360_n
61478401_300236094253140_3811868601451806720_n
61512951_300235284253221_8394383275019206656_n
61546650_300233107586772_1707934976940441600_n
61587538_300234747586608_6396245642879959040_n
61617462_300232984253451_4817901365541994496_n
61619623_300235040919912_8136351758818476032_n
61628657_300235244253225_4565508479975948288_n
61634856_300235847586498_4270927144273575936_n
61646529_300235264253223_3324207247180955648_n
61668959_300235177586565_3656210542739062784_n
61680597_300234817586601_612014289716248576_n
61794393_300235570919859_7683761230586052608_n
61795811_300234860919930_1414525291136548864_n
61802941_300234754253274_7946694996688633856_n
61848171_300233027586780_8947610320130539520_n
61854463_300234927586590_4457719111677378560_n
61886385_300232967586786_3847271961038159872_n
61929172_300233254253424_5113533555187646464_n
61938643_300234687586614_853229866491838464_n
61944414_300234930919923_2290953405570482176_n
62016869_300234697586613_2346387848380284928_n
62128063_300235764253173_5192961016752766976_n
62159010_300235117586571_4338831208583528448_n
62194063_300235034253246_547227933576527872_n
Exit full screenEnter Full screen
previous arrow
next arrow
Shadow

পথে পথে আজ হাঁকিব, বন্ধু, ঈদ মোবারক
আত্মীয় আয়োজনে শতাধিক মানুষ পেলে নতুন কাপড়, দুইশতাধিক মানুষকে ইফতার
শুধু রক্তদানেই সীমাবদ্ধ থাকবেনা আত্মীয়। সেই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল প্রথম সভাতেই। আত্মীয় হিসেবে পুরো দায়িত্বটা কাঁধে নিতে চাই আমরা! যার শুরুটা হয়েছিল ভালোবাসা দিবসে হাসপাতালের আয়োজন দিয়ে। তবে সভ্যরা সেই কথার পূর্ণ বাস্তবায়ন করলো গত দুইদিন। বাড়িতে নতুন অতিথি এলে যেমন নতুন পোশাক দেয়া হয়, তেমনি দেয়া হল শতাধিক সুবিধাবঞ্চিত মানুষকে। কেউ আত্মীয় সভায় এসে হাসিমুখে গ্রহণ করেছেন নতুন শাড়ি, লুঙ্গি কিংবা জামা। আবার কারো ঘরে গিয়ে, কাউকে রাস্থায় অথবা রেলওয়ে স্টেশনে খুঁজে খুঁজে নতুন পোষাক তুলে দিয়েছে শেখ দীপু আর সুদীপ্তরা। বাদ যাননি বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুরাও। অন্যদিকে আগের দিন খড়মপুর মাজার, স্টেশন, ফুটপাথ ধরে দুই শতাধিক মানুষকে দেয়া হলো ইফতার।
অবশ্য নতুন এসব আত্মীয়ের সাথে ‘ঈদ আনন্দভাগ’ করার পরিকল্পনা আগে থেকেই ছিলো। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে এমন কিছু ঘটেছে যা অনুপ্রেরণাই জোগাবে। মাত্র মিনিট দশেকের আলোচনায় উঠে এলো বিশ হাজার একশ টাকা। এ নিয়েই যখন এগিয়ে চলা তখন অনুপ্রেরণায় উদাহরন সামনে: দশম শ্রেণি পড়ুয়া রিচি নিয়ে এলো পাঁচশ টাকা। বলা হলো, আপাতত না হলেও চলবে। নাছোড়বান্দা রিচি মাকে নিয়ে হাজির হলো। রাখতে হলো টাকাটা। সাতশ ত্রিশ টাকা নিয়ে এলো আত্মীয় তামান্না।বুঝার বাকি নেই জমানো টাকার পুরোটাই সে নিয়ে এলো। বাদ গেলেনা ছাত্রনেতারাও। খুঁজে খুঁজে তারাও পৌছে দিলেন সামর্থের পুরোটা। এমন কত সব কথা যে বলা যাবে আয়োজন সফল হওয়াকে ঘিরে। আর সে কথায় না আসি। অবাক করা বিষয় হলো একজন সদস্যের কাছেও চেয়ে নিতে হয়নি, মনে করিয়ে দিতে হয়নি। এই আয়োজন একতার শক্তির পূর্ণ প্রকাশ। এ যেন এক নতুন জয়রথ। সেই কারণেই মনে হয় আমরা আত্মীয়।
১ জুন বিকেলে রাধানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ঈদের নতুন কাপড় তুলে দেয়া কার্যক্রমরে উদ্বোধন করা হয়। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সমীর চক্রবর্তীর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, আখাউড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আরিফুল আমিন, পল্লী বিদ্যৎ সমিতির আখাউড়া জোনাল অফিসের ডিজিএম আহামেদ শাহ আল জাবের, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল মমিন বাবুল, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মৌসুমী আক্তার, কালের কন্ঠের জেলা প্রতিনিধি বিশ্বজিত পাল বাবু, আত্মীয় সক্রিয় সভ্য ও উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শাহাব উদ্দিন বেগ শাপলু। এসময় আত্মীয় এবং উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন নয়ন, আত্মীয় সমন্বয়ক শেখ দীপু, ছাত্রনেতা সৈয়দ যুবরাজ শাহ রাসেল, হৃদয় দেব, শেখ তজিবুর রহমান, হৃদয় ঘোষ, সুহেদা আক্তার, মমতা ঘোষ মনি, রিমি ঘোষ, খোশপেয়ারা, রেহানা আক্তার প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজনকে সমৃদ্ধ করেছেন:
আত্মীয় অন্তপ্রাণ ডা. গুলজার হোসেন উজ্জ্বল, প্রভাষক হাফিজুর রহমান, শিক্ষক মৌসুমী আক্তার, ছাত্রনেতা শাহাব উদ্দিন বেগ শাপলু, শাখাওয়াত হোসেন নয়ন, সঞ্জয় সাহা, নাহিদ ভূইয়া, আব্দুল্লাহ আল মামুন, সুশান্ত দাস, রাজু সাহা, জুয়েল বনিক (প্রবাসী), ইসমাইল হোসেন, আব্দুল মমিন, সুজন সাহা, এসএইচ রানা, সুদীপ্ত সাহা, মো: আব্দুল করিম চৌধুরী রাসেল, মুন্নী খানম, অনুপ সাহা, লতিফুর রহমান, সম্রাট খাদেম, ওমর ফারুক মুন্না, জয়ন্ত দাস, হৃদয় দেব, হৃদয় ঘোষ, ইমদাদ কিবরিয়া, মারজান সুজন, খুশপেয়ারা, নান্টু বনিক, তামান্না, আবু সালেহ, মুন্নী খানম, রিমি ঘোষ, এমআরআই রাকিব, শেখ দীপু, চক্রবর্তীসহনাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরো অনেক আত্মীয় সভ্য।
ইফতারি তৈরির কাজে ব্যাপক পরিশ্রম করেছেন আব্দুল করিম চৌধুরী রাসেল, ইসমাইল হোসেন, মো. জাবেদ হোসেন, ওমর রেজা জনি। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পোষাক কেনায় ব্যস্থ সময় পাড় করেছেন মুন্নী খানম, নাছিমা চৌধুরী, ওমর ফারুখ মুন্না, সুদীপ্ত সাহা, ইমদাদ কিবরীয়ারা।
এভাবেই আত্মীয় এগিয়ে যাবে মানুষের জয়গান গাইতে গাইতে
লেখা: ২ জুন-২০১৯